Connect with us

Food Guides

বড়দের হাম হলে কী খেতে হবে? ৭টি পুষ্টিকর খাবার ও করণীয়

Published

on

বড়দের হাম হলে কী খেতে হবে? ৭টি পুষ্টিকর খাবার ও করণীয়

বড়দের হাম হলে কী খেতে হবে? ৭টি পুষ্টিকর খাবার ও করণীয়

বড়দের হাম হলে জ্বর, শরীর খারাপ লাগা, ক্ষুধা কমে যাওয়া এবং মুখ বা গলায় অস্বস্তি হতে পারে। এ সময় পর্যাপ্ত পানি পান করার পাশাপাশি সহজে খাওয়া যায় এমন পুষ্টিকর খাবার বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। তাই হাম হলে কী খেতে হবে তা জানা থাকলে অসুস্থ অবস্থায় খাবার নির্বাচন করা সহজ হয়।

একবারে বেশি খাবার না খেয়ে দিনে কয়েকবার অল্প অল্প করে খেতে পারেন। শরীরের সহনীয়তা অনুযায়ী নরম, হালকা ও সহজে খাওয়া যায় এমন খাবার বেছে নেওয়াই ভালো।

বড়দের হামে কী খেতে হবে?

হাম হলে নিচের সহজ ও পুষ্টিকর খাবারগুলো খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন।

১. হালকা স্যুপ

সবজি বা মুরগির হালকা স্যুপ খেতে পারেন। স্যুপ সহজে খাওয়া যায় এবং শরীরে তরল গ্রহণ বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। অতিরিক্ত ঝাল ও মসলা না দিয়ে হালকা করে তৈরি করা ভালো।

২. ডিম ও অন্যান্য প্রোটিন জাতীয় খাবার

ডিম প্রোটিনের একটি ভালো উৎস। সেদ্ধ ডিম অথবা অল্প মসলা দিয়ে রান্না করা ডিম খেতে পারেন। পাশাপাশি ডাল বা মুরগির পাতলা ঝোলও খাবারের অংশ হতে পারে।

প্রোটিন শরীরের স্বাভাবিক পুষ্টির চাহিদা পূরণে সাহায্য করে। তবে খাবার হাম সারানোর চিকিৎসা নয়।

৩. নরম ভাত ও খিচুড়ি

ক্ষুধা কম থাকলে নরম ভাত বা হালকা খিচুড়ি খাওয়া সহজ হতে পারে। এ সময় বেশি তেল ও মসলা ব্যবহার না করে হালকা খাবার বেছে নেওয়া ভালো।

৪. ভিটামিন-সি যুক্ত ফল

কমলা, মাল্টা, পেয়ারা বা অন্যান্য সহজে খাওয়া যায় এমন ফল রাখতে পারেন। ফল থেকে পানি ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাওয়া যায়।

মুখ বা গলায় অস্বস্তি থাকলে টক ফল বা লেবুর শরবত খেলে কারও কারও জ্বালা বা অস্বস্তি বাড়তে পারে। তাই শরীরের সহনীয়তা অনুযায়ী ফল বেছে নিন।

৫. নরম করে রান্না করা সবজি

পালং শাক, গাজর, লাউসহ বিভিন্ন সবজি ভালোভাবে নরম করে রান্না করে খেতে পারেন। এগুলো খাবারে প্রয়োজনীয় পুষ্টি যোগ করতে সাহায্য করে।

৬. দুধ বা সাধারণ দই

দুধ বা সাধারণ দই অনেকের জন্য সহজে খাওয়া যায়। তবে দুধ খেলে যদি পেটে অস্বস্তি হয়, তাহলে দুধের পরিবর্তে অন্য পুষ্টিকর খাবার বেছে নিতে পারেন।

৭. পানি ও অন্যান্য তরল

হাম হলে পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি হালকা স্যুপ ও উপযুক্ত অন্যান্য তরল খাবার গ্রহণ করতে পারেন।

 হাম হলে কোন খাবার এড়িয়ে চলবেন?

হাম হলে ক্ষুধা কমে যাওয়া বা মুখ ও গলায় অস্বস্তি হতে পারে। তাই খুব ভারী, ঝাল বা তেলযুক্ত খাবারের পরিবর্তে হালকা খাবার বেছে নেওয়া ভালো।

১. ভাজাপোড়া ও তৈলাক্ত খাবার

অতিরিক্ত তেল বা চর্বিযুক্ত খাবার এ সময় কারও কারও বদহজম বা পেটের অস্বস্তির কারণ হতে পারে। বিশেষ করে বাইরের ভাজাপোড়া খাবারের পরিবর্তে হালকা ও কম তেলযুক্ত খাবার বেছে নেওয়া ভালো।

২. ঝাল ও মসলাযুক্ত খাবার

অতিরিক্ত ঝাল বা কড়া মসলাযুক্ত খাবার মুখ ও গলায় অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। হামের সময় হালকা ও কম মসলার খাবার খাওয়া আরামদায়ক হতে পারে।

৩. অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার

অনেক বেশি মিষ্টি খাবারের পরিবর্তে ফল, সবজি, ডিম, ডাল এবং অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার বেছে নেওয়া ভালো।

হাম হলে খাবারের পাশাপাশি কী করবেন?

হাম হলে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন এবং নিয়মিত পানি পান করুন। অসুস্থ অবস্থায় শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী সহজে খাওয়া যায় এমন খাবার গ্রহণ করুন।

হাম ছোঁয়াচে রোগ হওয়ায় অসুস্থ অবস্থায় অন্য মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ কমানো গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসকের কাছ থেকে কোনো পরামর্শ বা নির্দেশনা পেলে তা মেনে চলুন।

খাবার হাম সারানোর চিকিৎসা নয়। জ্বর বেশি হলে, শ্বাস নিতে কষ্ট হলে, পর্যাপ্ত পানি পান করতে না পারলে বা শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

 হাম হলে খাবার বাছাইয়ের সহজ নিয়ম

অসুস্থ অবস্থায় খাবার নির্বাচন করার সময় কয়েকটি বিষয় মনে রাখতে পারেন:

  • একবারে বেশি খাবার না খেয়ে অল্প অল্প করে খেতে পারেন।
  • পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
  • নরম ও সহজে খাওয়া যায় এমন খাবার বেছে নিন।
  • অতিরিক্ত ঝাল, মসলা ও তেলযুক্ত খাবার কমিয়ে দিন।
  • শরীরের সহনীয়তা অনুযায়ী ফল ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার খান।
  • কোনো খাবার খেলে অস্বস্তি হলে সেটি এড়িয়ে চলুন।

উপসংহার

হাম হলে কী খেতে হবে—এটি জানা থাকলে অসুস্থ অবস্থায় সহজ ও পুষ্টিকর খাবার বেছে নেওয়া যায়। নরম ভাত, খিচুড়ি, ডিম, হালকা স্যুপ, ফল, নরম করে রান্না করা সবজি, দই এবং পর্যাপ্ত পানি খাবারের তালিকায় রাখা যেতে পারে।

অন্যদিকে অতিরিক্ত ঝাল, মসলাযুক্ত, ভাজাপোড়া ও তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলা ভালো। তবে খাবার হাম সারানোর চিকিৎসা নয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বা গুরুতর কোনো উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

Food Guides

গ্যাসের সমস্যা দূর করার ৪টি ঘরোয়া উপায়

Published

on

গ্যাসের সমস্যা দূর করার ৪টি ঘরোয়া উপায়

গ্যাসের সমস্যা দূর করার ৪টি কার্যকর ঘরোয়া উপায়

দৈনন্দিন জীবনে গ্যাসের সমস্যা খুবই সাধারণ একটি হজমজনিত অস্বস্তি। অনিয়মিত খাবার, দ্রুত খাওয়া, অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবার বা কিছু খাবার খাওয়ার পর পেটে গ্যাস, পেট ফাঁপা ও অস্বস্তি হতে পারে। কিছু সহজ অভ্যাস মেনে চললে এই সমস্যা অনেক ক্ষেত্রে কমানো যায়।

গ্যাসের সমস্যা দূর করার ৪টি সহজ প্রাকৃতিক চিকিৎসা

ঘরোয়া কিছু সাধারণ উপাদান ব্যবহার করে খুব দ্রুত গ্যাসের ব্যাথা ও পেট ফাঁপা থেকে আরাম পাওয়া যায়। নিচে গ্যাস্ট্রিকের প্রাকৃতিক সমাধানের সেরা পদ্ধতিগুলো আলোচনা করা হলো:

১. আদা চা বা কাঁচা আদা

আদায় থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান পরিপাকতন্ত্রকে শান্ত রাখে। খাবার খাওয়ার পর এক টুকরো কাঁচা আদা চিবিয়ে খেলে বা এক কাপ গরম আদা চা পান করলে দ্রুত পেটের গ্যাস কমে যায়।

২. কুসুম গরম পানি ও লেবুর রস

সকালে খালি পেটে এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে অর্ধেকটা লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে হজমপ্রক্রিয়া দ্রুত হয়। এটি পাকস্থলীর অতিরিক্ত এসিড দূর করতে এবং শরীর থেকে টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে।

৩. জিরা পানি

এক গ্লাস পানিতে এক চা চামচ জিরা ফুটিয়ে সেই পানি ছেঁকে পান করুন। জিরার এনজাইম উপাদান হজমরস তৈরিতে সাহায্য করে, যা পেট ফাঁপা ও গ্যাস জমতে দেয় না।

৪. পুদিনা পাতা

পুদিনা পাতা প্রাকৃতিক পাচক হিসেবে কাজ করে। পেট ফাঁপা বা অতিরিক্ত এসিডের অনুভূতি হলে কয়েকটি পুদিনা পাতা চিবিয়ে খেতে পারেন অথবা এটি পানিতে ফুটিয়ে চা বানিয়ে পান করতে পারেন।

স্থায়ীভাবে গ্যাসের সমস্যা এড়াতে দৈনন্দিন কিছু অভ্যাস

ঘরোয়া উপায়ের পাশাপাশি জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনলে গ্যাস্ট্রিক ও পেটের গ্যাস চিরতরে কমানো সম্ভব:

  • খাবার ভালোভাবে চিবিয়ে খান: তাড়াহুড়ো করে খেলে খাবারের সঙ্গে অতিরিক্ত বাতাস পেটে চলে যায়, যা গ্যাসের কারণ হয়।

  • পর্যাপ্ত পানি পান করুন: সারাদিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করার অভ্যাস গঠন করুন।

  • অতিরিক্ত তেলের খাবার বর্জন করুন: ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার কম খাওয়ার চেষ্টা করুন।

শেষ কথা গ্যাসের সমস্যা দূর করার ঘরোয়া উপায়গুলো নিয়মিত মেনে চললে এবং খাদ্যাভ্যাসে সামান্য পরিবর্তন আনলে গ্যাস্ট্রিকের কষ্ট থেকে স্থায়ী মুক্তি পাওয়া সম্ভব। তবে ঘরোয়া উপায়েও যদি সমস্যা না কমে, তবে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Continue Reading

Food Guides

পুষ্টিকর খাবার কী কী? ১০টি খাবার

Published

on

পুষ্টিকর খাবার কী কী? ১০টি খাবার

পুষ্টিকর খাবার কী কী? ১০টি স্বাস্থ্যকর খাবার

শরীর সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখতে প্রতিদিনের খাবারে পর্যাপ্ত পুষ্টি থাকা প্রয়োজন। শুধু পেট ভরানোর জন্য খাবার খেলে হবে না, খাবারে প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ, ফাইবার ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান থাকা গুরুত্বপূর্ণ। তাই পুষ্টিকর খাবার কী কী—এটি জানা থাকলে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় সঠিক খাবার বেছে নেওয়া সহজ হয়।

পুষ্টিকর খাবার কী কী?

পুষ্টিকর খাবার হলো এমন খাবার, যা শরীরের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে। একটি নির্দিষ্ট খাবারের ওপর নির্ভর না করে বিভিন্ন ধরনের খাবার পরিমাণমতো খাওয়াই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ।

১. ডিম

ডিম উচ্চমানের প্রোটিনের ভালো উৎস। এতে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজও রয়েছে। সকালের নাশতা বা দিনের অন্য খাবারের সঙ্গে ডিম রাখা যেতে পারে।

২. মাছ

মাছে প্রোটিন থাকে এবং কিছু ধরনের মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসহ উপকারী ফ্যাট পাওয়া যায়। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের মাছ রাখা যেতে পারে।

৩. ডাল

ডাল সহজলভ্য ও পুষ্টিকর খাবার। এতে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, ফাইবার এবং বিভিন্ন খনিজ উপাদান পাওয়া যায়।

৪. শাকসবজি

পালং শাক, লাল শাক, গাজর, ব্রকলি ও অন্যান্য সবজিতে ভিটামিন, খনিজ ও ফাইবার থাকে। প্রতিদিন বিভিন্ন রঙের সবজি খাওয়ার চেষ্টা করা ভালো।

৫. ফলমূল

পেয়ারা, কমলা, পেঁপে, কলা ও আপেলের মতো ফলে বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ ও ফাইবার পাওয়া যায়। মৌসুমি ফলও খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।

৬. দুধ ও দই

দুধ ও দই প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামের উৎস। চিনি ছাড়া বা কম চিনি দিয়ে দই খাওয়া তুলনামূলকভাবে ভালো বিকল্প হতে পারে।

৭. বাদাম ও বীজ

বাদাম ও বিভিন্ন বীজে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন ও ফাইবার থাকে। তবে এগুলো ক্যালরিযুক্ত হওয়ায় পরিমাণমতো খাওয়া উচিত।

৮. পূর্ণ শস্য

ওটস, লাল চাল ও অন্যান্য পূর্ণ শস্যে ফাইবারসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান থাকে। এগুলো সুষম খাদ্যের অংশ হতে পারে।

প্রতিদিন পুষ্টিকর খাবার কীভাবে রাখবেন?

পুষ্টিকর খাবার কী কী জানা থাকলেই যথেষ্ট নয়; খাবারের বৈচিত্র্যও গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, ফল, প্রোটিনের উৎস, পূর্ণ শস্য ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের বিভিন্ন উৎস রাখার চেষ্টা করুন। অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খাওয়াও ভালো অভ্যাস।

শেষ কথা

সুস্থ খাদ্যাভ্যাসের জন্য একটি নির্দিষ্ট খাবারের ওপর নির্ভর না করে বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার পরিমাণমতো খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। বয়স, শারীরিক অবস্থা ও ব্যক্তিগত প্রয়োজন অনুযায়ী খাদ্যতালিকায় পরিবর্তন প্রয়োজন হতে পারে। বিশেষ কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে পুষ্টিবিদ বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Continue Reading

Fitness

কী খেলে ওজন কমে? ৫টি স্বাস্থ্যকর খাবার

Published

on

কী খেলে ওজন কমে? ৫টি স্বাস্থ্যকর খাবার

কী খেলে ওজন কমে? ৫টি স্বাস্থ্যকর খাবার

ওজন কমানোর জন্য শুধু কম খাওয়াই যথেষ্ট নয়। প্রতিদিনের খাবারে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি রাখা গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে এবং অতিরিক্ত খাওয়া কমাতে সাহায্য করতে পারে। তাই অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে, কী খেলে ওজন কমে? স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নেওয়ার পাশাপাশি পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ ও নিয়মিত শরীরচর্চাও গুরুত্বপূর্ণ।

কী খেলে ওজন কমে?

ওজন কমানোর খাবার বলতে এমন খাবার বোঝায়, যেগুলো পুষ্টিকর এবং তুলনামূলকভাবে বেশি সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। নিচের ৫টি খাবার আপনার স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন।

১. ডিম

ডিম প্রোটিনের ভালো উৎস। সকালের নাস্তায় সেদ্ধ ডিমের সঙ্গে সবজি বা আটার রুটি খেলে একটি পুষ্টিকর খাবার তৈরি হতে পারে। প্রোটিনযুক্ত খাবার পেট ভরা রাখতে সাহায্য করতে পারে।

২. আপেল

আপেলে ফাইবার ও পানি থাকে। পুরো আপেল খেলে জুসের তুলনায় বেশি ফাইবার পাওয়া যায় এবং পেট ভরা অনুভূতি হতে পারে। তাই হালকা নাস্তা হিসেবে আপেল ভালো একটি বিকল্প।

৩. ওটস

ওটস একটি গোটা শস্য এবং এতে ফাইবার থাকে। সকালে দুধ বা টক দইয়ের সঙ্গে ওটস ও কিছু ফল খেতে পারেন। তবে অতিরিক্ত চিনি বা মিষ্টি উপকরণ যোগ না করাই ভালো।

৪. বাদাম

কাজুবাদাম, কাঠবাদাম ও অন্যান্য বাদামে প্রোটিন, ফাইবার এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকে। তবে বাদামে ক্যালরি বেশি হতে পারে, তাই অল্প পরিমাণে খাওয়া ভালো।

৫. সবুজ শাকসবজি

পালং শাক, লাউ, ব্রোকলি, বাঁধাকপি ও অন্যান্য সবজিতে ফাইবার ও বিভিন্ন পুষ্টি থাকে। খাবারের প্লেটে বেশি সবজি রাখলে কম ক্যালরিতে পেট ভরা রাখতে সাহায্য করতে পারে।

ওজন কমাতে আরও কী করবেন?

শুধু কী খেলে ওজন কমে তা জানলেই হবে না। খাবারের পরিমাণও গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত মিষ্টি, চিনিযুক্ত পানীয় এবং বেশি প্রক্রিয়াজাত খাবার কমিয়ে পানি পান ও নিয়মিত শারীরিক activity-এর দিকে মনোযোগ দিন। দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যকর খাবার ও নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ কথা

কোনো একটি খাবার একাই দ্রুত ওজন কমায় না। ওজন কমানোর জন্য ব্যক্তির বয়স, শারীরিক অবস্থা, খাবারের পরিমাণ ও দৈনন্দিন কাজের ওপর ভিত্তি করে খাদ্যাভ্যাস তৈরি করা ভালো। ডায়াবেটিস, কিডনি রোগ বা অন্য কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের আগে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন।

Continue Reading

Title

Trending