Connect with us

Beauty Tips

IPL Treatment কী? ত্বকে কীভাবে কাজ করে, উপকারিতা ও ঝুঁকি

Published

on

IPL Treatment কী? ত্বকে কীভাবে কাজ করে, উপকারিতা ও ঝুঁকি

IPL কীভাবে ত্বকে কাজ করে এবং IPL Treatment কী?

IPL Treatment কী—এটি ত্বকের কালো দাগ, রোদে পোড়া দাগ, লালচে ভাব এবং অবাঞ্ছিত লোমের appearance কমাতে ব্যবহৃত একটি আলোভিত্তিক cosmetic treatment। IPL-এর পূর্ণরূপ হলো Intense Pulsed Light। এই treatment-এ ত্বকের নির্দিষ্ট অংশে নিয়ন্ত্রিত আলোর পালস প্রয়োগ করা হয়। তবে IPL Treatment কী তা জানার পাশাপাশি এটি আপনার ত্বকের জন্য উপযুক্ত কি না সেটিও জানা গুরুত্বপূর্ণ। তাই treatment নেওয়ার আগে একজন qualified dermatologist বা trained professional-এর পরামর্শ নেওয়া ভালো।

IPL Treatment কী?

IPL Treatment হলো একটি আলোভিত্তিক cosmetic procedure, যেখানে বিশেষ একটি যন্ত্রের মাধ্যমে ত্বকে নিয়ন্ত্রিত আলোর পালস দেওয়া হয়। এই আলো ত্বকের নির্দিষ্ট pigment-এর ওপর কাজ করতে পারে এবং কিছু ক্ষেত্রে অবাঞ্ছিত লোমের গোড়ায় থাকা pigment-ও লক্ষ্য করে।

IPL মূলত ত্বকের appearance উন্নত করার জন্য ব্যবহার করা হয়। তবে এটি কোনো চিকিৎসার বিকল্প নয় এবং এর ফলাফল ব্যক্তিভেদে আলাদা হতে পারে।

IPL Treatment কীভাবে কাজ করে?

IPL Treatment-এর সময় ত্বকের ওপর নির্দিষ্ট ধরনের wavelength-এর আলো প্রয়োগ করা হয়। ত্বক বা লোমের pigment এই আলো শোষণ করলে লক্ষ্য করা জায়গায় তাপ তৈরি হয়। এর ফলে ধীরে ধীরে নির্দিষ্ট pigment বা hair follicle-এর ওপর প্রভাব পড়ে।

কতটা energy ব্যবহার করা হবে এবং কতটি session প্রয়োজন হতে পারে, তা ব্যক্তির skin type এবং কোন সমস্যার জন্য treatment নেওয়া হচ্ছে তার ওপর নির্ভর করে।

কোন কোন ত্বকের সমস্যায় IPL ব্যবহার করা হয়?

IPL বিভিন্ন cosmetic উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হতে পারে। যেমন:

  • কিছু ধরনের sun spots বা pigmentation-এর appearance কমাতে
  • ত্বকের লালচে ভাব কমাতে
  • freckles-এর appearance উন্নত করতে
  • অবাঞ্ছিত লোম কমাতে
  • ত্বকের overall appearance উন্নত করতে

তবে প্রত্যেকের ক্ষেত্রে একই ফল পাওয়া যাবে এমন নয়।

IPL Treatment-এর উপকারিতা

সঠিক ব্যক্তির ক্ষেত্রে IPL Treatment-এর কিছু সম্ভাব্য সুবিধা রয়েছে। এটি কিছু ধরনের pigmentation এবং vascular redness-এর appearance কমাতে সাহায্য করতে পারে। আবার একাধিক session নেওয়ার মাধ্যমে কিছু ক্ষেত্রে অবাঞ্ছিত লোমের বৃদ্ধি কমানো সম্ভব হতে পারে।

তবে IPL কতটা কার্যকর হবে তা নির্ভর করে ত্বকের ধরন, সমস্যার কারণ এবং কোন ধরনের treatment ব্যবহার করা হচ্ছে তার ওপর।

IPL Treatment-এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও ঝুঁকি

IPL সাধারণত trained professional-এর মাধ্যমে করানো উচিত। ভুল setting ব্যবহার করা হলে বা অনুপযুক্ত skin type-এ treatment করা হলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে:

  • সাময়িক লালচে ভাব
  • হালকা ফোলা
  • জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তি
  • ত্বকের রঙ সাময়িকভাবে গাঢ় বা হালকা হয়ে যাওয়া
  • বিরল ক্ষেত্রে ফোসকা বা burn

বিশেষ করে বেশি pigmentation থাকা ত্বকে pigment পরিবর্তনের ঝুঁকি থাকতে পারে। তাই treatment নেওয়ার আগে ত্বকের ধরন মূল্যায়ন করা গুরুত্বপূর্ণ।

IPL Treatment নেওয়ার আগে কী জানা উচিত?

IPL করার আগে আপনার skin type, ত্বকের সমস্যা এবং মুখে বা শরীরে ব্যবহার করা skincare products সম্পর্কে specialist-কে জানানো উচিত।

Treatment-এর আগে ও পরে অতিরিক্ত রোদ এড়িয়ে চলা এবং dermatologist বা specialist-এর দেওয়া skincare instructions মেনে চলাও গুরুত্বপূর্ণ।

IPL Treatment কি সবার জন্য উপযুক্ত?

না, IPL সবার জন্য সমানভাবে উপযুক্ত নয়। Skin tone, pigmentation, skin sensitivity এবং কোন সমস্যার জন্য treatment নেওয়া হচ্ছে—এসব বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

কেন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি?

নিজে থেকে IPL Treatment করার সিদ্ধান্ত না নিয়ে একজন qualified dermatologist বা trained professional-এর সঙ্গে পরামর্শ করা ভালো। তিনি আপনার ত্বক পরীক্ষা করে IPL আপনার জন্য উপযুক্ত কি না এবং কী ধরনের treatment প্রয়োজন হতে পারে তা নির্ধারণ করতে পারবেন।

উপসংহার

IPL Treatment হলো একটি আলোভিত্তিক cosmetic treatment, যা ত্বকের কিছু pigmentation, redness এবং অবাঞ্ছিত লোমের appearance কমাতে ব্যবহার করা হতে পারে। এর কিছু সম্ভাব্য সুবিধা থাকলেও ভুলভাবে ব্যবহার করলে unwanted side effects হতে পারে। তাই IPL করার আগে নিজের skin type ও প্রয়োজন সম্পর্কে জানা এবং একজন qualified dermatologist বা trained professional-এর পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।

Beauty Tips

শীতে গোড়ালি ফাটার সমাধান: ৭টি উপায়

Published

on

শীতে গোড়ালি ফাটার সমাধান ও পায়ের ত্বকের যত্ন

শীতে গোড়ালি ফাটার সমাধান

শীতে গোড়ালি ফাটার সমাধান জানতে চাইলে পায়ের সঠিক যত্ন নেওয়া জরুরি। ঠান্ডা আবহাওয়া ও শুষ্ক বাতাসের কারণে গোড়ালির ত্বক রুক্ষ হয়ে ফেটে যেতে পারে। নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার, ভ্যাসলিন লাগানো এবং আরামদায়ক জুতা পরার মাধ্যমে ফাটা গোড়ালির সমস্যা কমাতে সাহায্য করা যায়।

শীতে গোড়ালি ফাটার কারণ

শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতা কমে যায়। ফলে পায়ের ত্বক শুষ্ক হয়ে গোড়ালির চামড়া শক্ত হতে পারে। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা, খোলা স্যান্ডেল পরা, শক্ত মেঝেতে হাঁটা এবং পায়ের নিয়মিত যত্ন না নেওয়াও গোড়ালি ফাটার কারণ হতে পারে।

শীতে গোড়ালি ফাটার সমাধানে ৭টি উপায়

১. কুসুম গরম পানিতে পা ভেজান

কুসুম গরম পানিতে ৫–১০ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখলে শক্ত চামড়া নরম হতে সাহায্য করে। এরপর নরম তোয়ালে দিয়ে পা মুছে নিন। অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহার করবেন না এবং পা দীর্ঘক্ষণ ভিজিয়ে রাখবেন না।

২. পিউমিস পাথর ব্যবহার করুন

পা ভেজানোর পর গোড়ালির শক্ত চামড়ায় পিউমিস পাথর দিয়ে আলতোভাবে ঘষতে পারেন। এতে জমে থাকা মরা চামড়া কিছুটা দূর হয়। তবে বেশি জোরে ঘষবেন না। গোড়ালি গভীরভাবে ফাটা, রক্তপাত হওয়া বা ব্যথা থাকলে ঘষাঘষি এড়িয়ে চলুন।

৩. ভ্যাসলিন বা ময়েশ্চারাইজার লাগান

গোড়ালি ফাটার যত্নে নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ। পা ধোয়ার পর ত্বক সামান্য ভেজা থাকতেই ঘন ময়েশ্চারাইজার বা ভ্যাসলিন লাগান। এতে ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।

৪. রাতে সুতির মোজা পরুন

ঘুমানোর আগে গোড়ালিতে ভ্যাসলিন বা ঘন ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে পরিষ্কার সুতির মোজা পরুন। এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য হয়। প্রতিদিন রাতে এই অভ্যাস চালিয়ে যেতে পারেন।

৫. পর্যাপ্ত পানি পান করুন

শীতকালে তৃষ্ণা কম লাগলেও নিয়মিত পানি পান করা জরুরি। শরীরের পানির চাহিদা, আবহাওয়া ও শারীরিক পরিশ্রম অনুযায়ী পানি পান করুন। তবে শুধু পানি পান করলেই ফাটা গোড়ালি সেরে যায় না; ত্বকে ময়েশ্চারাইজার লাগানোও দরকার।

৬. খালি পায়ে হাঁটা এড়িয়ে চলুন

ঠান্ডা, রুক্ষ মেঝে এবং শক্ত মাটিতে খালি পায়ে হাঁটার অভ্যাস এড়িয়ে চলুন। নরম ও আরামদায়ক জুতা পরুন, যাতে গোড়ালিতে অতিরিক্ত চাপ না পড়ে। গোড়ালি খোলা থাকে এমন জুতার পরিবর্তে পেছন ঢাকা জুতা ব্যবহার করা উপকারী হতে পারে।

৭. নিয়মিত পায়ের যত্ন নিন

প্রতিদিন পা পরিষ্কার রাখুন এবং ধোয়ার পর ভালোভাবে শুকিয়ে নিন। গোড়ালিতে নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার লাগান। অতিরিক্ত সুগন্ধিযুক্ত সাবান ও ত্বক শুষ্ক করে এমন পণ্য এড়িয়ে চলুন। প্রয়োজনে ইউরিয়া-যুক্ত ফুট ক্রিম ব্যবহার করা যায়।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

গোড়ালি গভীরভাবে ফেটে গেলে, রক্তপাত হলে, তীব্র ব্যথা দেখা দিলে অথবা ফাটার স্থানে লালভাব, ফোলা কিংবা পুঁজ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ডায়াবেটিস বা পায়ে রক্ত চলাচলের সমস্যা থাকলে নিজে পিউমিস পাথর দিয়ে ঘষবেন না এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

শেষ কথা

শীতে গোড়ালি ফাটার সমস্যা কমাতে নিয়মিত পায়ের যত্ন, ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার, সুতির মোজা পরা এবং আরামদায়ক জুতা ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিনের এই সহজ অভ্যাসগুলো পায়ের ত্বক নরম রাখতে সাহায্য করে। সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে বা ব্যথা বাড়লে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Continue Reading

Beauty Tips

শীতে ময়েশ্চারাইজার: কোনটি ভালো?

Published

on

শীতে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করে ত্বকের যত্ন

শীতে কোন ময়েশ্চারাইজার ভালো

শীতকালে ঠান্ডা আবহাওয়া ও বাতাসে আর্দ্রতা কমে যাওয়ার কারণে ত্বক শুষ্ক, রুক্ষ, খসখসে এবং টানটান হয়ে যেতে পারে। এ সময় ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা ধরে রাখতে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা জরুরি। কিন্তু শীতে কোন ময়েশ্চারাইজার ভালো, তা নির্ভর করে আপনার ত্বকের ধরন ও ত্বকের সমস্যার ওপর। সঠিক ময়েশ্চারাইজার বেছে নিলে ত্বকের শুষ্কতা কমাতে এবং ত্বক নরম ও মসৃণ রাখতে সাহায্য পাওয়া যায়।

শীতে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার কেন জরুরি?

শীতের শুষ্ক বাতাস ত্বক থেকে আর্দ্রতা হারানোর ঝুঁকি বাড়ায়। ফলে ত্বকের প্রাকৃতিক সুরক্ষা স্তর দুর্বল হতে পারে। এর কারণে ত্বকে চুলকানি, রুক্ষতা, খসখসে ভাব এবং কখনো ফাটল দেখা দিতে পারে।

নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং ত্বকের সুরক্ষা স্তর ভালো রাখতে সাহায্য করে। গোসল বা মুখ ধোয়ার পর ত্বক সামান্য ভেজা থাকতেই ময়েশ্চারাইজার লাগালে ভালো উপকার পাওয়া যেতে পারে।

শীতে কোন ময়েশ্চারাইজার ভালো: ত্বকের ধরন অনুযায়ী

সবার ত্বক এক রকম নয়। তাই ময়েশ্চারাইজার কেনার আগে নিজের ত্বকের ধরন বুঝে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

১. শুষ্ক ত্বকের জন্য ময়েশ্চারাইজার

আপনার ত্বক যদি শীতকালে বেশি শুষ্ক হয়ে যায়, তাহলে ঘন ক্রিম বা অয়েন্টমেন্ট ধরনের ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন। গ্লিসারিন, সেরামাইড, পেট্রোলিয়াম জেলি বা শিয়া বাটারযুক্ত পণ্য আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করতে পারে।

২. তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ময়েশ্চারাইজার

তৈলাক্ত ত্বকেও শীতকালে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা প্রয়োজন। এ ধরনের ত্বকের জন্য হালকা জেল বা লোশন বেছে নিতে পারেন। পণ্যের গায়ে “নন-কমেডোজেনিক” লেখা থাকলে তা বেছে নেওয়া সুবিধাজনক হতে পারে। এতে রোমকূপ বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

৩. সংবেদনশীল ত্বকের জন্য ময়েশ্চারাইজার

সংবেদনশীল ত্বকে সুগন্ধিবিহীন বা “ফ্র্যাগরেন্স-ফ্রি” ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা ভালো। সেরামাইড ও গ্লিসারিনযুক্ত পণ্য ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করতে পারে। নতুন পণ্য ব্যবহারের আগে ত্বকের ছোট একটি অংশে পরীক্ষা করে নিন।

৪. মিশ্র ত্বকের জন্য ময়েশ্চারাইজার

মিশ্র ত্বকে সাধারণত মুখের কিছু অংশ তৈলাক্ত এবং অন্য অংশ শুষ্ক থাকে। এ ক্ষেত্রে হালকা লোশন বা মাঝারি ঘনত্বের ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। ত্বকের শুষ্ক অংশে প্রয়োজনে একটু বেশি ময়েশ্চারাইজার লাগান।

৫. ব্রণপ্রবণ ত্বকের জন্য ময়েশ্চারাইজার

ব্রণপ্রবণ ত্বকের জন্য হালকা, সুগন্ধিবিহীন এবং নন-কমেডোজেনিক ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন। অতিরিক্ত ভারী বা ত্বকে অস্বস্তি সৃষ্টি করে এমন পণ্য এড়িয়ে চলুন।

শীতের ময়েশ্চারাইজারে কোন উপাদান ভালো?

ময়েশ্চারাইজার কেনার সময় শুধু ব্র্যান্ড বা দাম নয়, এর উপাদানগুলোর দিকেও নজর দিন।

গ্লিসারিন

গ্লিসারিন ত্বকে পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে। শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে এটি একটি উপকারী উপাদান।

সেরামাইড

সেরামাইড ত্বকের প্রাকৃতিক সুরক্ষা স্তর বজায় রাখতে এবং আর্দ্রতা হারানো কমাতে সাহায্য করে। শীতকালে শুষ্ক ত্বকের জন্য সেরামাইডযুক্ত ক্রিম ভালো বিকল্প হতে পারে।

হায়ালুরোনিক অ্যাসিড

হায়ালুরোনিক অ্যাসিড ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। এটি গ্লিসারিন ও আর্দ্রতা ধরে রাখে এমন অন্য উপাদানের সঙ্গে থাকলে ভালোভাবে ব্যবহার করা যায়।

শিয়া বাটার ও পেট্রোলিয়াম জেলি

শিয়া বাটার ত্বক নরম রাখতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, পেট্রোলিয়াম জেলি ত্বক থেকে পানি হারানো কমাতে কার্যকর। বিশেষ করে খুব শুষ্ক হাত, পা ও গোড়ালিতে এটি উপকারী হতে পারে।

শীতে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের সঠিক নিয়ম

১. মৃদু ক্লিনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন।

২. মুখ ধোয়ার পর নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো করে পানি মুছে নিন।

৩. ত্বক সামান্য ভেজা থাকতেই ময়েশ্চারাইজার লাগান।

৪. প্রয়োজন অনুযায়ী সকাল ও রাতে ব্যবহার করুন।

৫. দিনের বেলা বাইরে গেলে উপযুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

৬. হাত-পা বেশি শুষ্ক হলে সেখানেও নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার লাগান।

ময়েশ্চারাইজার কেনার সময় যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন

  • নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী পণ্য নির্বাচন করুন।
  • সংবেদনশীল ত্বকে সুগন্ধিযুক্ত পণ্য এড়িয়ে চলুন।
  • মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য ব্যবহার করবেন না।
  • শুধু দামি হলেই পণ্য ভালো হবে, এমন ধারণা করবেন না।
  • নতুন পণ্য ব্যবহারে জ্বালাপোড়া বা র‍্যাশ হলে ব্যবহার বন্ধ করুন।

শেষ কথা

শীতে কোন ময়েশ্চারাইজার ভালো, তার সঠিক উত্তর পেতে নিজের ত্বকের ধরন ও প্রয়োজন বুঝে পণ্য বেছে নিতে হবে। শুষ্ক ত্বকে ঘন ক্রিম, তৈলাক্ত ত্বকে হালকা লোশন বা জেল এবং সংবেদনশীল ত্বকে সুগন্ধিবিহীন ময়েশ্চারাইজার ভালো বিকল্প হতে পারে। নিয়মিত সঠিক যত্ন নিলে শীতকালেও ত্বকের আর্দ্রতা ও কোমলতা বজায় রাখতে সাহায্য পাবেন।

Continue Reading

Beauty Tips

শীতে হাত পায়ের যত্ন: ৭টি সহজ উপায়

Published

on

শীতে হাত-পায়ের যত্ন নিতে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার

শীতে হাত পায়ের যত্ন

শীতকালে ঠান্ডা আবহাওয়া ও বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়ার কারণে হাত-পায়ের ত্বক শুষ্ক, রুক্ষ এবং খসখসে হয়ে যেতে পারে। অনেকের হাতের চামড়া উঠে যায়, আবার পায়ের গোড়ালি ফেটে অস্বস্তি হয়। তাই শীতের শুরু থেকেই শীতে হাত-পায়ের যত্ন নেওয়া জরুরি। প্রতিদিনের কিছু সহজ অভ্যাস মেনে চললে ত্বক নরম, মসৃণ ও আরামদায়ক রাখা সম্ভব।

শীতে হাত-পায়ের যত্ন কেন জরুরি?

শীতকালে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে গেলে ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত গরম পানি, কড়া সাবান এবং ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার না করার কারণেও এই সমস্যা বাড়তে পারে। বিশেষ করে হাত, পায়ের পাতা ও গোড়ালির ত্বকে শুষ্কতা বেশি দেখা যায়।

শীতে হাত-পায়ের যত্ন নেওয়ার ৭টি সহজ উপায়

১. নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন

হাত-পা ধোয়ার পর ত্বক সামান্য ভেজা থাকতেই ময়েশ্চারাইজার লাগান। গ্লিসারিন, পেট্রোলিয়াম জেলি বা সিরামাইডযুক্ত ময়েশ্চারাইজার শুষ্ক ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। প্রয়োজন অনুযায়ী দিনে কয়েকবার ব্যবহার করুন।

২. অতিরিক্ত গরম পানি এড়িয়ে চলুন

শীতে গরম পানি দিয়ে হাত-পা ধুতে ভালো লাগলেও অতিরিক্ত গরম পানি ত্বকের প্রাকৃতিক তেল কমিয়ে দিতে পারে। তাই কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন এবং ধোয়ার পর নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুছে নিন।

৩. পায়ের গোড়ালির বিশেষ যত্ন নিন

গোড়ালি ফাটা কমাতে প্রতিদিন পা পরিষ্কার করে ভালোভাবে শুকিয়ে নিন। এরপর ঘন ময়েশ্চারাইজার বা পেট্রোলিয়াম জেলি লাগাতে পারেন। রাতে পরিষ্কার সুতির মোজা পরলে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সুবিধা হয়।

৪. হাত-পা পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন

বাইরে থেকে এসে হাত-পা পরিষ্কার করুন। পায়ের আঙুলের ফাঁক ভালোভাবে শুকিয়ে নিন, কারণ দীর্ঘক্ষণ ভেজা থাকলে ছত্রাকের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। কড়া সাবানের পরিবর্তে মৃদু ক্লিনজার ব্যবহার করুন।

৫. বাইরে গেলে গ্লাভস ও মোজা পরুন

ঠান্ডা বাতাস থেকে হাত রক্ষা করতে গ্লাভস এবং পা উষ্ণ রাখতে মোজা ব্যবহার করুন। ভেজা মোজা দ্রুত পরিবর্তন করুন। এতে ত্বকের অস্বস্তি কমাতে ও আরাম বজায় রাখতে সাহায্য হয়।

৬. নখ ও কিউটিকলের যত্ন নিন

হাত-পায়ের নখ নিয়মিত পরিষ্কার ও ছাঁটা রাখুন। নখের চারপাশে শুষ্কতা দেখা দিলে ময়েশ্চারাইজার লাগান। কিউটিকল কেটে ফেলা বা নখের পাশের চামড়া টেনে তোলা এড়িয়ে চলুন।

৭. পর্যাপ্ত পানি পান ও সুষম খাবার খান

শীতকালে তৃষ্ণা কম লাগলেও নিয়মিত পানি পান করুন। খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, ফল, ডাল, বাদাম এবং অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার রাখুন। সুষম খাবার ত্বকের স্বাভাবিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।

শীতে হাত-পায়ের যত্নে যেসব ভুল এড়াবেন

  • অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে হাত-পা ধোয়া।
  • শুষ্ক ত্বকে বারবার কড়া সাবান ব্যবহার করা।
  • গোড়ালির শক্ত চামড়া ব্লেড দিয়ে কেটে ফেলা।
  • পা ভেজা অবস্থায় মোজা পরে থাকা।
  • ত্বক ফেটে গেলে সুগন্ধিযুক্ত বা জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে এমন পণ্য ব্যবহার করা।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

হাত-পায়ের ত্বকে গভীর ফাটল, রক্তপাত, অতিরিক্ত লালভাব, ফোলা, পুঁজ বা তীব্র ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ডায়াবেটিস থাকলে পায়ের ক্ষত বা ফাটলকে অবহেলা করবেন না। ক্ষত হলে নিজে চিকিৎসা না করে দ্রুত চিকিৎসকের সাহায্য নিন।

শেষ কথা

শীতকালে ত্বক শুষ্ক হওয়া ও গোড়ালি ফাটার সমস্যা কমাতে নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার, কুসুম গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার করা এবং গ্লাভস-মোজা পরার অভ্যাস গড়ে তুলুন। প্রতিদিন অল্প সময় দিলেই শীতে হাত-পায়ের যত্ন নেওয়া সহজ হয়ে উঠবে। ত্বকের সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

Continue Reading

Title

Trending